Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2026

মুসনাদে হাবীব এর অনুবাদ (পর্ব ১)

 মুসনাদে হাবীব (পর্ব ১)  মূল : আবু আমর আল রাবী বিন হাবীব আল আজদী আল ফারাহেদী আল ওমানী (মৃত্যু— ১৮০ হিজরী)   অনুবাদ - শেখ আহসান উদ্দিন ( Sheikh Ahasan Uddin)  প্রথম অধ্যায় باب (۱) في النية   ١ – قال أَبُو عَمْرٍو الرَّبِيعُ بْنُ حَبيبِ بْنِ عَمْرٍو البَصْرِيُّ : حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدَةَ مُسْلِمُ  بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ التَّمِيمِيُّ عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدِ الْأَزْدِيَّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ قَالَ : نِيَّةُ الْمُؤْمِنِ خَيْرٌ مِنْ عَمَلِهِ  ০১. আবু আমর আল রাবী বিন হাবীব বিন আল বসরী বলেন, " আবু উবাইদাহ মুসলিম বিন আবু কারিমা আল তামীমি এর সূত্রে আমাকে জাবের বিন যায়েদ আল আজদীর কাছ থেকে বলেছেন "। " আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন, একজন মুমিনের নিয়ত তার কর্মের চেয়ে উত্তম "। ٠٢ وبهذا السَّنَدِ فِي رِوَايَةٍ أُخْرَى عنه عَلَيْهِ السَّلَامُ ، قال : «الأَعْمَال بِالنِّيَّاتِ (۱) ، وَلِكُلِّ . أَمْرِي مَا نَوَى  ০২. তার সনদ থেকে অন্য আরেকটি বর্ণনায় এই প্রেক্ষাপটের সাথে, তিনি বলেন: "ক...

নয়া দুনীয়া, নয়া বাস্তবতা

  ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে অনেক বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হিসেবে উঠে আসছে চীন ও ইসরাইল। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে অনেকেই দেখছেন যুক্তরাষ্ট্র-কেই। ইসরাইল প্রকাশ্যেই চায় এই সংঘাত আরও কিছুদিন স্থায়ী হোক, যাতে আঞ্চলিক সমীকরণ তার অনুকূলে যায়। অন্যদিকে চীন সরাসরি কিছু না বললেও নীরবে এমন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তার কৌশলগত সুবিধা বাড়ে বলেই ধারণা করা হয়। ভবিষ্যতে নিজেদের স্বার্থে চীন ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হতে পারে, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এদিকে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে, যদিও তা এখনো পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত নয়। অন্যদিকে ভারত অনেকটা পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, কিন্তু সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, বা নিতে পারছে না। ইসরাইলের আরেকটি কৌশলগত লক্ষ্য হতে পারে ন্যাটো-কে তুলনামূলকভাবে দুর্বল করে ফেলা। কারণ, তাদের গ্রেটার ইসরাইল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিরিয়ার দিকে আরও আগ্রাসীভাবে অগ্রসর হতে গেলে তুরস্ক-এর সঙ্গ...

কনজারভেটিভ সমাজে গণতন্ত্র: বাংলাদেশের বাস্তবতা ও আন্তর্জাতিক উদাহরণ

  লিখেছেন – মাবরুরুল হক ভূমিকা গণতন্ত্র একটি বহুমাত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যার রূপ দেশ ও সমাজভেদে পরিবর্তিত হয়। পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে গণতন্ত্র উদারনৈতিক (লিবারেল) দর্শনের উপর দাঁড়ালেও, বাংলাদেশের মতো কনজারভেটিভ সমাজে গণতন্ত্রের বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে ধর্ম, পরিবারকেন্দ্রিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্য সমাজের চালিকা শক্তি। ফলে গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে হলে তাকে এই সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে হয়। কনজারভেটিভ গণতন্ত্র: একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি কনজারভেটিভ গণতন্ত্র এমন এক কাঠামো, যেখানে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়, কিন্তু তা সমাজের ধর্মীয়, ঐতিহ্যগত ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিকে অস্বীকার করে নয়—বরং সেগুলোকেই রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে। এই মডেলে ব্যক্তি স্বাধীনতা থাকে, তবে তা সমাজের ঐক্য, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে পরিচালিত হয়। এটি পশ্চিমা লিবারেল গণতন্ত্রের বিপরীতে একটি সমাজ-নির্ভর, মূল্যবোধভিত্তিক গণতন্ত্র। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে উদাহরণ তুরস্কে এরদোয়ানের নেতৃত্ব:   এরদোয়ান “কনজারভেটিভ ডেমোক্রেসি” ধারণার রূপকার, তিনি এটাকে বাস্...